সাইকেলে চেপে আর্জেন্টিনায় ১২ দিনে যা দেখলাম - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
সাইকেলে চেপে আর্জেন্টিনায় ১২ দিনে যা দেখলাম

সাইকেলে চেপে আর্জেন্টিনায় ১২ দিনে যা দেখলাম

Oplus_131072

আর্জেন্টিনায় পা রাখার আগে কল্পনায় ছিল ফুটবল, আন্দিজ পর্বত কিংবা বুয়েনস এইরেসের দৃষ্টিনন্দন অট্টালিকার কথা। ভাবতাম, লোকালয় বা জনপদে দেখব, সকাল-বিকেল-রাত সবাই ফুটবল খেলছে। আমি দাঁড়িয়ে খেলা দেখতে দেখতে হয়তো বলব—নিউমের উন আর্জেন্টিনা। কিন্তু না, এসব কিছুই হয়নি।
বরং আমি ছিলাম পাতাগোনিয়ার নির্জন উপত্যকায়, আন্দিজের গা বেয়ে নীরবতায় ঘেরা কাঁটা কম্পাস ধরে আঁকা সরলরেখার মতো সোজা এক রাস্তায়। সামনে-পেছনে কিছুই নেই, শুধু পাথুরে ধুলার ভাসমান রেখা আর গা ছমছমে বাতাস। মাঝেমধ্যে গর্জে ওঠা বিশাল ট্রাক আর দু–একটা গাড়ি চোখে পড়ে। নিমেষেই আবার হারিয়ে ফেলি। তবুও এগিয়ে যাওয়া, শুধু মানুষ দেখব বলে।
আন্দিজ পর্বতের কোলে বসে থাকা পাতাগোনিয়া যেন পৃথিবীর এক নিঃসঙ্গ কবিতা।

বারিলোচের পূর্ণ নাম হলো সান কার্লোস দে বারিলোচে। বুয়েনস এইরেস থেকে দুই ঘণ্টার বিমানযাত্রা। এটি আর্জেন্টিনার রিও নেগ্রো প্রদেশের পশ্চিমে অবস্থিত একটি পাহাড়ি শহর, আন্দিজ পর্বতমালার পাদদেশে এবং নাহুয়েল হুয়াপি ন্যাশনাল পার্কের ভেতরে অবস্থিত। লেক, পাহাড়, সুইস ঘরানার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য প্রসিদ্ধ বারিলোচে পাতাগোনিয়ার অন্যতম প্রবেশদ্বার। আদর করে যাকে ডাকা হয় সুইজারল্যান্ড অব আর্জেন্টিনা। ট্রেকিং, সাইকেল চালানো, স্কিইং কিংবা লেক সাফারি—প্রকৃতির এক অপার বিস্ময় হয়ে ধরা দেয় এই শহর
বারিলোচে থেকে পূর্বের শহরের নাম ভিয়েদমা। এ শহরেই আমাদের জামাল ভুঁইয়া খেলতে এসেছিলেন সোল দে মায়ো নামের এক ক্লাবে। এ শহরে আসতে আসতে সাইকেল চালাতে চালাতে যে ভূদৃশ্য পার হই, তা যেন এক বিশাল পাথুরে ক্যানভাস, ধুলামাখা হাতে বেলা রুটির মতো এবড়োখেবড়ো; যেখানে ঠান্ডা হাওয়া আর বিস্তৃত ফাঁকা আকাশের রং লেগেছে।

এখানকার সকালগুলো এতটাই শান্ত, মনে হয় যেন সময় থমকে আছে। দিনের আলো আসতে দেরি করে—আমার অভ্যস্ত ভোর পাঁচটায় নয়; বরং তখনো চাদের আলোয় ডুবে থাকে চারপাশ, অদূরের পাহাড় আর কুয়াশার লুকিয়ে থাকে ঘুমন্ত জনপদ।

যতদূর চোখ যায়, বিস্তীর্ণ শূন্যতা। কোথাও কোথাও দু-একটা গবাদিপশু, কখনো এক-আধটা ট্রাক; আর মাঝেমধ্যে অনেক দূরে দূরে খর্বাকৃত গাছের থোক। এই হলো সব। এখানে জনসংখ্যা এতই কম যে দিনের পর দিন সাইকেল চালিয়ে যেতে যেতে মনে হতো, আমি যেন এই পৃথিবীর একমাত্র অভিযাত্রী।

সকালের রুটিন অভিজ্ঞতার মধ্যে ছিল কুকুরের ডাক। জোরালো, গভীর, যেন সবাইকে আমার আগমন জানিয়ে দিচ্ছে তারা। আগন্তুকের আবির্ভাব তারা হয়তো ভালো মনে করত না। আলো ফোটার আগে রাস্তায় নেমে যেতাম। গ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে যেতে হঠাৎই কুকুরের তীব্র ঘেউ ঘেউ, আর সেই আওয়াজ পাহাড় ঘুরে ফিরে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসত আমার কাছে। আমি ভীরু মনে দম বন্ধ করে পা চালাতাম যত না ঠান্ডার কাতরতায়, তার থেকে কুকুরের ভয়ে।

বারিলোচে শহরের দর্শনীয় স্থান
বারিলোচে শহরের দর্শনীয় স্থানছবি: লেখক
এই যাত্রায় বেশ কিছু খুদে শহর, এরা যাকে বলে গ্রাম, দেখা এবং থাকা হয়েছে। তারই একটির নাম কুমালকাম। সেখানে এখনো পুরোনো স্টিম ট্রেন চলে পর্যটনের অংশ হিসেবে। তার কালো ধোঁয়া আর সিটি কল্পনাকে বাস্তবের এক সিনেমার দৃশ্যের মতো মনে হতো। লোহার একটা ব্রিজের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সেই ট্রেনের কাঠামো দেখে আমরা দাঁড়িয়ে থাকি কিছুক্ষণ বিহ্বল হয়ে। যেন ইতিহাস উঠে এসেছে অতীত থেকে।

পাতাগোনিয়ার রূপ বদলে যায় ধীরে। একসময়ের ধূসর, ধুলামাখা, শুকনা মরুভূমির মতো; আবার একসময় ঘাসে ঢাকা সবুজ তৃণভূমির মতো। এর মধ্যে দূরে ‘লিটল হাউজ অন দ্য প্রেইরি’র মতো। কিন্তু আকাশ সর্বদা সুবিশাল বিস্তৃত, মেঘে ঢাকা; অথবা একেবারে নির্মল নীল। আর হাওয়া? কখনো সামনে থেকে, কখনো পাশ থেকে আর কখনো পেছন থেকে। একবার আঁকড়ে রাখে তো আবার ছেড়ে দেয়। এই টানাটানি পাতাগোনিয়ার চরিত্র।

ক্লেমেন্তে অর্নেলি নামের এক জায়গায় থাকতে হয়েছে। এখানে ছিল না কোনো থাকার জায়গা। পরের গন্তব্য আরও ৮০ কিলোমিটার। তাই এখানেই থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষ যেহেতু আছে, হয়ে যাবে। একটা স্কুল আছে। আমার স্থানীয় সহযাত্রী আমাদের পরিচয় দেওয়ার পর বেশ খাতির পাওয়া গেল। ক্লাসরুমে ক্যামেরা, মুঠোফোন চার্জের ব্যবস্থা হলো। জনা ১৫ শিশুর কাছে বাংলাদেশের গল্পও বলতে হলো। আর এই স্কুলেই প্রথমবারের মতো একজন আদিবাসীর সঙ্গে দেখা হলো। যার হাতে আরবি আর হিব্রু হরফে লেখা উল্কি ছিল। ভ্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে আমি ছাড়া অন্যজনকে দেখলাম, যার গাত্রবর্ণ অশ্বেত। এই দেশ তার ইউরোপীয় পরিচয়ে গর্বিত; কিন্তু এ ধরনের মানুষই যেন তার নিঃশব্দ বৈচিত্র্যের নিদর্শন হয়ে থাকেন। এই মিশ্রতাই যেন বলে দেয়, আর্জেন্টিনা শুধু ইউরোপের উত্তরাধিকার নয়, তার গভীরে অনেক স্তরের ইতিহাস আছে, সব সময় যা চোখে পড়ে না।
সাইকেলের পেছনে বাংলাদেশের পতাকা বেঁধে রেখেছিলাম। ভাবতাম, কেউ থামিয়ে জিজ্ঞেস করবে এই পতাকা কোথাকার? কিন্তু তেমন কিছু হয়নি। কিছু বাইকার, কিছু ট্রাকচালক চোখ মেলেছেন ঠিকই, কেউ কেউ হাত নাড়িয়েছেন। একমাত্র যে গাড়িটি দাঁড়িয়ে কথা বলল, তিনি ছিলেন কানাডিয়ান পর্যটক।

বাংলাদেশে যদি কোনো বিদেশি দেখা যায়, হোক সে সাইকেলে, হোক হেঁটে—অবধারিতভাবে কেউ জিজ্ঞেস করবেন, ‘আপনি কোথা থেকে?’ আর হাতে এক কাপ চা ধরিয়ে দেবেন। আর্জেন্টিনায় মানুষ ঠিক ততটাই অতিথিপরায়ণ; কিন্তু সেটা অনেকটাই সংযত, কম প্রকাশ্য। খোলা মুখে কথা কম; কিন্তু দরকারে পাশে দাঁড়ান মানুষ।

যেমন সান আন্তেনিও ওয়েস্তে থেকে ভিয়েদমা যাওয়ার সময় আমার সাইকেল বাসে উঠতে না দেওয়ায় তিনজন স্থানীয় এগিয়ে এলেন। তাঁরা বাইকসহ আমাকে নিজে গাড়িতে তুলে ভিয়েদমা পৌঁছে দিলেন। শুধু তা–ই নয়, তাঁরা বাংলাদেশের নাম জানতেন, আর বিদায়ের সময় উপহার দিলেন আর্জেন্টিনার পতাকা। সেই মুহূর্তে মনে হলো, পতাকা বদল হয় কিন্তু মানবিকতা হয়তো একই থাকে। মানুষ বলে কথা। যার জন্য আসা এত দূর
সাইকেলে ভারতের এমাথা–ওমাথা ঘুরলেন বাংলাদেশের বাবর
পাতাগোনিয়ার রাস্তাগুলো ভয়ংকর নিঃসঙ্গ। দিনের পর দিন শুধু বালু, পাথর আর গর্জন করা বাতাস। কোনো খাবারের দোকান নেই, পানির উৎস নেই, এমনকি ছায়া নেই। চেহারায় একধরনের পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপ্টিক সৌন্দর্য আছে যেন—যেখানে শুধু টিকে থাকার লড়াই। বাংলাদেশের গ্রামীণ রাস্তায় যেখানে প্রতি আধা কিলোমিটারে একটা চায়ের দোকান পাওয়া যায়, এখানে তা যেন স্বপ্ন। আর সে জন্যই হয়তো প্রতে৵ক মানুষের মুখ আরও গভীর, আরও ভেতরে গড়া।

অবশেষে ১২ দিন পর ভিয়েদমা শহরে পৌঁছলাম। ভাবলাম, এখানে বোধ হয় বাংলাদেশ নিয়ে আদিখ্যেতা হবে। হলো না। হয়তো তাঁরা কিছুটা আলাদা। হতেই পারে। তবে পরিবর্তন আসছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, ফুটবল ফোরামে, এমনকি কূটনৈতিক স্তরেও—আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে লক্ষ্য করতে শুরু করেছে। ঢাকায় খুলেছে আর্জেন্টিনার দূতাবাস। একটা বিশাল পদক্ষেপ, ফুটবলের বদৌলতে তৈরি হওয়া এক মহাদেশান্তর সংযোগের প্রথম প্রমাণ।
এই ভিন্নতাকে বোঝা আর স্বীকার করাই ছিল আমার আর্জেন্টিনা সফরের সবচেয়ে বড় উপহার। কখনো যদি মনে হয়, ভালোবাসা একপক্ষীয়, তখন মনে রাখতে হবে—সংযোগের জন্য সব সময়ই দুই পক্ষের সময় লাগে। আমরা হয়তো আগে এগিয়ে গেছি; কিন্তু হয়তো তারাও আসবে একটু সময় নিয়ে।


 

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতির প্রার্থীতার বিরুদ্ধে রিট আবেদনকারী নারী শিক্ষার্থীকে শিবির নেতা কর্তৃক প্রকাশ্যে গণধর্ষণের হুমকি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেত্রীদের হেনস্থা এবং শিবিরের নেতাকর্মীদের দ্বারা সারাদেশে নারী শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে অব্যাহত সাইবার বুলিংয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) ছাত্রদল।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুতের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের  লিপুস ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভ  মিছিল  শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে নেতাকর্মীদের বক্তৃতার মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচী শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে আনুমানিক হাজারের অধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতি দেখ যায়।
এসময়  বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের  সিনিয়র সহ-সভাপতি রাকিবুল ইসলাম,  সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার গালিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক খন্দকার,   যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজান ইসলাম, মাসুদ রানা, আরিফুল ইসলাম, নূরজামাল, আল রোহান, বাতেন সরকার, শফিকুল ইসলাম, জাহিদ কামাল,  দপ্তর সম্পাদক তর্কি ইয়াছির,  সহ সকল  পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভ মিছিলে স্লোগান দেয়, ❝নারী অধিকার রক্ষা করতে, ছাত্রদল সজাগ থাকবে। দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার। শিবির আর স্বৈরাচার, মিলেমিশে একাকার। নারী হেনস্থার আস্তানা, এ বাংলায় হবে না।❞
বিক্ষোভ মিছিল শেষে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ বলেন, নারীদের অধিকার নিয়ে কথা বলে যে সংগঠন, তা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি ৫ আগস্টের পর একটি গুপ্ত সংগঠনের আবির্ভাব হয়েছে, যারা গত ১৭ বছর স্বৈরাচারের সাথে মিলিত হয়ে কাজ চালিয়েছে। সেই কারণে তারা তাদের কমিটি প্রকাশ করে না। বর্তমানে তারা সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে নারীদের হেনস্তা করছে এবং গুপ্তভাবে নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করছে। আমি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, জামাত-শিবির গুপ্তভাবে রাজনীতি করে তাদের ফায়দা হাসিল করতে পারবে না।
ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ বলেন, পরিচয় গোপন করে এমন চরিত্রহীনা রাজনীতি বন্ধ করার আহ্বান থাকবে আপনাদের প্রতি (গুপ্ত বাহিনীর)। পাশাপাশি, যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ (৭১) বিশ্বাস করে না, তারা বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারে না। আপনারা গুপ্তভাবে রাজনীতি করবেন না, প্রকাশ্যে আসুন। আপনাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেও আপনারা ফেক আইডি দিয়ে প্রতিহত করেন। এই ফেক আইডির রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। আমি ছাত্রদলের রাজনীতি করি, আমার পরিচয় আছে। আপনিও রাজনীতি করলে আপনার পরিচয় প্রকাশ্যে আনুন। আমরা সবাই ২৪ জুলাইয়ের আন্দোলনে একসাথে কাজ করেছি। আবার একসাথে থেকে আগামী বাংলাদেশ গড়ব। তবে আপনাদের প্রতি একটা অনুরোধ রাখবো, সাইবার বুলিং ও অনলাইন রাজনীতি থেকে সরে আসুন।

নারী নিপীড়নের গোবিপ্রবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ 

শাহাজান, গোবিপ্রবি:

‘গনতন্ত্রের মা‘  বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে  গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয়  মসজিদে ১৫ আগস্ট  ২০২৫ (শুক্রবার)   আসরবাদ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এর আয়োজন করে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও  প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু  কামনা করে দোয়া করা হয়।

দোয়া ও মিলাদ  মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি দূর্জয় শুভ, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ সহ অনান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীীবৃন্দ ও মুসল্লিগন।

গোবিপ্রবি ছাত্রদল সভাপতি দূর্জয় শুভ জানান, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা। তিনিই জাতিকে একটি সত্যিকার গণতন্ত্রের শক্তভিত্তির ওপরে দাঁড় করাতে চেয়েছিলেন। আনতে চেয়েছিলেন অর্থনৈতিক মুক্তি। দিতে চেয়েছিলেন জাতিকে সম্মান আর গৌরব। তার সততা, নিষ্ঠা, গভীর দেশপ্রেম, পরিশ্রমপ্রিয়তা, নেতৃত্বের দৃঢ়তা প্রভৃতি গুণাবলী এ দেশের গণমানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করেছিল। বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে এগিয়ে নেন এবং বিএনপি অত্যন্ত জনপ্রিয় দলে পরিণত হয়। খালেদা জিয়ার সময়ে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার ‘ইমার্জিং টাইগার’ খেতাবে ভূষিত হয়। তিনি একাধারে স্বৈরশাসকের আতঙ্ক, গণতন্ত্রের ধারক। আজ এই মহীয়সী নারীর শুভ জন্মদিনে তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি এবং তার সুস্বাস্থ্য দীর্ঘায়ু কামনা করছি। দেশ বাসীর কাছে আপোষহীন জননেত্রীর জন্যে দোয়া চাই।

বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক। দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান জাতি চিরকাল মনে রাখবে।”

খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে গোবিপ্রবি  ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d